বলিউডে বর্তমানে নেপোটিজম নিয়ে বিতর্ক তুঙ্গে। তারকা সন্তানদের ভিড়ে যখন বহিরাগতদের জায়গা পাওয়া নিয়ে প্রশ্ন ওঠে, তখন প্রিয়াঙ্কা চোপড়ার জীবনযুদ্ধ অনেকের কাছেই এক দৃষ্টান্ত। শূন্য থেকে শুরু করে আজ তিনি ‘গ্লোবাল আইকন’। তবে এই রাজকীয় মুকুটের আড়ালে লুকিয়ে আছে এক দীর্ঘ নিঃসঙ্গ লড়াই আর অপমানের ইতিহাস।
সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে প্রিয়াঙ্কা চোপড়া তার ক্যারিয়ারের শুরুর দিনগুলো নিয়ে মুখ খুলেছেন। তিনি জানান, ইন্ডাস্ট্রিতে তার কোনো গডফাদার ছিল না। সম্পূর্ণ একা নিজের রাস্তা তৈরি করতে হয়েছে তাকে।
প্রিয়াঙ্কা বলেন, ‘সিনেমা ইন্ডাস্ট্রিতে আমার কথা ভাবার জন্য কেউ ছিল না। আমি জানতাম, কেউ আমাকে সাহায্য করতে এগিয়ে আসবে না। এই কঠিন দুনিয়ায় টিকে থাকতে হলে আমাকে খুব দ্রুত সবটা শিখে নিতে হত।’ মাত্র ১৯-২০ বছর বয়সে যখন তিনি বলিউডে পা রাখেন, তখন বিশ্বসুন্দরী বা পেজেন্ট দুনিয়ার অভিজ্ঞতা থাকলেও অভিনয়ের ব্যাকরণ তার কাছে ছিল অপরিচিত।
বিশেষ করে বড় পর্দায় নাচের মুদ্রা সামলাতে গিয়ে হিমশিম খেতে হতো তাকে। সেই সময়ের এক তিক্ত অভিজ্ঞতার কথা স্মরণ করে প্রিয়াঙ্কা জানান, দক্ষিণ আফ্রিকায় একটি সিনেমার শুটিং চলাকালীন প্রখ্যাত কোরিওগ্রাফার রাজু খান তার ওপর প্রচণ্ড রেগে গিয়েছিলেন।
বারবার শট ভুল হওয়ার এক পর্যায়ে মেজাজ হারিয়ে রাজু খান তার হাতের মাইক ছুড়ে ফেলে দেন। সবার সামনে প্রিয়াঙ্কাকে কঠোর ভাষায় অপমান করে তিনি বলেছিলেন, ‘পেজেন্ট জিতে আসতে পারো, কিন্তু নায়িকা হওয়ার আগে নাচটা শিখে এসো।’ সেই দিনের সেই যন্ত্রণাদায়ক অপমান প্রিয়াঙ্কাকে ভেঙে দেওয়ার বদলে জেদ বাড়িয়ে দিয়েছিল।
সূত্র : ঢাকা পোস্ট
All rights reserved © 2026 ChannelTeknaf24.Com