গিয়াস উদ্দিন ভুলু।।
টেকনাফে বিজিবি ও স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়নের (এসআরবি) যৌথ অভিযানে ১ লাখ ৩০ হাজার পিস ইয়াবা ট্যাবলেটসহ চারজনকে আটক করা হয়েছে। এ সময় ইয়াবা পরিবহনে ব্যবহৃত একটি ইঞ্জিনচালিত কাঠের নৌকা ও দুটি মোবাইল ফোন জব্দ করা হয়।
রোববার (১ নভেম্বর) গোপন সংবাদের ভিত্তিতে টেকনাফ ব্যাটালিয়ন (২ বিজিবি) ও এসআরবির যৌথ আভিযানিক দল নাফ নদীতে এ অভিযান পরিচালনা করে।
বিজিবির প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, টেকনাফ ব্যাটালিয়ন (২ বিজিবি)-এর অধীন নাজিরপাড়া বিওপির দায়িত্বপূর্ণ আলুগোলা পোস্টসংলগ্ন নাফ নদী দিয়ে মিয়ানমারের মংডু খাল থেকে ইয়াবার একটি বড় চালান বাংলাদেশে প্রবেশের তথ্য পায় যৌথ বাহিনী।
এ তথ্যের ভিত্তিতে নাজিরপাড়া ও সাবরাং বিওপির টহল দল নাফ নদীর সম্ভাব্য প্রবেশপথে কৌশলগত অবস্থান নেয়। পরে যৌথ আভিযানিক দল বিএসপি পোস্ট থেকে আনুমানিক ৩০০ মিটার পূর্বে এবং শূন্যলাইন
থেকে বাংলাদেশের অভ্যন্তরে প্রায় ২০০ মিটার দূরে একটি সন্দেহভাজন ইঞ্জিনচালিত নৌকাসহ চারজনকে আটক করে।
বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, যৌথ বাহিনীর উপস্থিতি টের পেয়ে নৌকায় থাকা ব্যক্তিরা ইয়াবার চালান নদীতে ফেলে দেয়। পরে নদীতে ব্যাপক তল্লাশি চালিয়ে ভাসমান অবস্থায় ১ লাখ ৩০ হাজার পিস ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়।
আটক ব্যক্তিরা হলেন—টেকনাফ সদর ইউনিয়নের উত্তর জালিয়াপাড়ার মৃত শাহাব উদ্দিনের ছেলে আব্দুল খালেক (২৫), একই এলাকার সৈয়দ হোসেনের ছেলে নূর ফয়সার (২৫), টেকনাফের ইসলামাবাদ পুরাতন পল্লানপাড়ার ফয়েজ রহমানের ছেলে মিজানুর রহমান (২৪) এবং ১৪ নম্বর এফডিএমএন ক্যাম্পের বি/৩ ব্লকের বাসিন্দা হাফেজ আহম্মদ (২৯)।
অভিযানে উদ্ধার করা ইয়াবার পরিমাণ ১ লাখ ৩০ হাজার পিস। এ ছাড়া একটি ইঞ্জিনচালিত কাঠের নৌকা ও দুটি মোবাইল ফোন জব্দ করা হয়েছে।
বিজিবির প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, আটক ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে নিয়মিত মামলা দায়ের করে জব্দ করা মাদকদ্রব্যসহ তাদের টেকনাফ মডেল থানায় হস্তান্তরের কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।
সূত্র, টেকনাফ ব্যাটালিয়ন (২ বিজিবি)-এর প্রেস বিজ্ঞপ্তি, ১ নভেম্বর ২০২৬।
https://slotbet.online/