গিয়াস উদ্দিন ভুলু।।
কক্সবাজারের টেকনাফে প্ল্যান ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ ও বিজিএসের যৌথ উদ্যোগে “স্পন্সরশীপ ফান্ডেড প্রোগ্রাম” বিষয়ক একটি অবহিতকরণ সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। বুধবার (১৭ জুন) সকাল ১০টায় আয়োজিত এ সভায় শিশুদের জীবনমান উন্নয়ন, সুরক্ষা, শিক্ষা ও দক্ষতা বিকাশে সমন্বিত উদ্যোগ গ্রহণের ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়।
বিজিএসের আয়োজনে অনুষ্ঠিত সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন টেকনাফ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) এস. এম. অনীক চৌধুরী। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন টেকনাফ উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো. হুমায়ুন কবির, উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা হাবীবুর রহমান, প্ল্যান ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশের কান্ট্রি স্পন্সরশীপ ম্যানেজার নোভা শামস্, ফেইজ ইন ম্যানেজার জিয়াউর রহমান, গভর্নেন্স লিয়াজোঁ অফিসার আব্দুল জলিল এবং বিজিএসের ডেপুটি ডিরেক্টর খন্দকার হাবিবুল আরিফ।
সভায় সভাপতিত্ব করেন বিজিএসের নির্বাহী পরিচালক পেইংশৈউ মারমা।
সভায় বিজিএসের চলমান কার্যক্রম এবং প্ল্যান ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশের স্পন্সরশীপ ফান্ডেড প্রোগ্রামের বিভিন্ন দিক তুলে ধরা হয়। সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা প্রকল্পের লক্ষ্য, বাস্তবায়ন প্রক্রিয়া এবং স্থানীয় পর্যায়ে সম্ভাব্য ইতিবাচক প্রভাব নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেন।
বিশেষ অতিথির বক্তব্যে প্ল্যান ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশের কান্ট্রি স্পন্সরশীপ ম্যানেজার নোভা শামস্ বলেন, “প্ল্যান ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ শিশুদের জীবনমান উন্নয়নে কাজ করে। বিশেষ করে কন্যাশিশুদের বিকাশ, সুরক্ষা, শিক্ষা ও দক্ষতা উন্নয়নের মাধ্যমে গুণগত পরিবর্তন আনাই আমাদের লক্ষ্য।”
অপর বিশেষ অতিথি বিজিএসের ডেপুটি ডিরেক্টর খন্দকার হাবিবুল আরিফ তার উপস্থাপনায় প্রকল্পের আওতায় বাস্তবায়িতব্য আটটি গুরুত্বপূর্ণ থিমের ওপর বিস্তারিত আলোকপাত করেন।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে টেকনাফ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এস. এম. অনীক চৌধুরী বলেন, “টেকনাফের অন্যতম বড় চ্যালেঞ্জ হলো শিশুদের শিক্ষার ঘাটতি, সুরক্ষার অভাব, বাল্যবিবাহের প্রবণতা বৃদ্ধি এবং জলবায়ু পরিবর্তনের বহুমাত্রিক প্রভাব। ঝরে পড়া শিশুদের পুনরায় বিদ্যালয়ে ফিরিয়ে আনতে এবং শিশুদের জীবনমান উন্নয়নে এ প্রকল্প গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।”
তিনি শিশুদের জীবনমান ও সুরক্ষায় প্রকল্পের কার্যক্রম যথাযথভাবে বাস্তবায়নের জন্য সংশ্লিষ্টদের প্রতি আহ্বান জানান।
অনুষ্ঠানের গুরুত্বপূর্ণ অংশ হিসেবে উন্মুক্ত আলোচনা ও প্রশ্নোত্তর পর্ব অনুষ্ঠিত হয়। এতে অংশগ্রহণকারীরা বিভিন্ন বিষয়ে মতামত ও পরামর্শ প্রদান করেন।
এ সময় বিজিএসের প্রোগ্রাম ম্যানেজার, টেকনিক্যাল অফিসার (শিক্ষা), অ্যাকাউন্টস অ্যান্ড অ্যাডমিন অফিসার, প্ল্যান ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশের প্রোগ্রাম স্পেশালিস্ট-জিডিআইপি, গভর্নেন্স লিয়াজোঁ অফিসার, স্পন্সরশীপ প্রোগ্রাম কো-অর্ডিনেটর, বিভিন্ন সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তা এবং গণমাধ্যমকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
সভায় উপস্থিত বক্তারা আশা প্রকাশ করেন, এই প্রকল্পের মাধ্যমে টেকনাফের শিশু, কিশোর ও যুবকদের জীবনমান উন্নয়নে ইতিবাচক পরিবর্তন আসবে এবং সকলের সম্মিলিত সহযোগিতায় কর্মসূচিটি এলাকার উন্নয়নে একটি মাইলফলক হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হবে।
https://slotbet.online/