• মঙ্গলবার, ০৪ অগাস্ট ২০২৬, ০৯:৩২ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
টেকনাফে র‍্যাবের অভিযানে ১০ হাজার ইয়াবাসহ মাদক ব্যবসায়ী আটক সুন্নাহর আলোয় জীবন গড়ার নির্ভরযোগ্য সহচর ‘মুআল্লিমুস সুন্নাহ’ বাংলাদেশ থেকে ৩ লাখ রোহিঙ্গা ফিরিয়ে নিতে সম্মত মিয়ানমার মায়ানমারে পাচারকালে বিপুল পরিমাণ সারসহ ৬ পাচারকারী আ/ট/ক হোয়াইক্যং চেকপোস্টে বিজিবির অভিযানে ১ লাখ ৬ হাজার ইয়াবাসহ প্রাইভেটকার চালক আটক র‍্যাব-১৫-এর অভিযানে ১০ বছরের সাজাপ্রাপ্ত অস্ত্র মামলার দীর্ঘদিনের পলাতক আসামি গ্রেফতার কক্সবাজার-টেকনাফ মহাসড়কে র‍্যাবের অভিযানে ৫০ হাজার ইয়াবাসহ ৩ মাদক কারবারি গ্রেফতার টেকনাফে ফের ইয়াবাসহ আটক সাবেক বহিষ্কৃত আ.লীগ নেতা হাফেজ উল্লাহ “টেকনাফে আরবান ডেমনেস্ট্রেটর প্রকল্পের টাউন হল সভা অনুষ্ঠিত” টেকনাফে অপহরণ-সন্ত্রাস বন্ধের দাবিতে রাজু ভাস্কর্যে আমরণ অনশন

মায়ানমারে পাচারকালে যৌথ অভিযানে ২,৪০০ বস্তা সিমেন্ট জব্দ, ৩৩ পাচারকারী আটক

ওসমান সরওয়ার।। / ৮৭ বার পড়া হয়েছে
আপডেট সময় : রবিবার, ১৭ মে, ২০২৬

নৌবাহিনী ও কোস্ট গার্ডের অভিযানে আটক ৩৩ জন- জব্দ ৩টি ফিশিং বোট, সিমেন্টের বাজারমূল্য প্রায় ১৬ লাখ ৮০ হাজার টাকা

ওসমান সরওয়ার।।
মায়ানমারে পাচারের সময় বাংলাদেশ নৌবাহিনী ও বাংলাদেশ কোস্ট গার্ডের যৌথ অভিযানে ২,৪০০ বস্তা সিমেন্ট, ৩টি ফিশিং বোটসহ ৩৩ জন পাচারকারীকে আটক করা হয়েছে।

রবিবার (১৭ মে) সকালে কোস্ট গার্ডের মিডিয়া কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট কমান্ডার সাব্বির আলম সুজন এ তথ্য নিশ্চিত করেন।
তিনি জানান, গত শনিবার (১৬ মে) সেন্টমার্টিনের দক্ষিণ-পশ্চিম সংলগ্ন সমুদ্র এলাকায় সারাদিনব্যাপী গোপন সংবাদের ভিত্তিতে কোস্ট গার্ড আউটপোস্ট শাহপরী, স্টেশন সেন্টমার্টিন এবং বাংলাদেশ নৌবাহিনীর সমন্বয়ে যৌথ অভিযান পরিচালনা করা হয়।

অভিযান চলাকালে সন্দেহভাজন ৩টি ফিশিং বোটে তল্লাশি চালিয়ে অবৈধভাবে শুল্ক কর ফাঁকি দিয়ে মায়ানমারে পাচারের উদ্দেশ্যে বহনকৃত প্রায় ১৬ লাখ ৮০ হাজার টাকা মূল্যের ২,৪০০ বস্তা সিমেন্ট জব্দ করা হয়। একই সঙ্গে পাচার কাজে ব্যবহৃত ৩টি বোটসহ ৩৩ জনকে আটক করা হয়।

প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে আটককৃতরা জানিয়েছেন, ফিশিং বোটগুলোর মাধ্যমে হাতিয়া ও সন্দ্বীপের বিভিন্ন এলাকা থেকে সিমেন্ট সংগ্রহ করে মায়ানমারের নিষিদ্ধ গোষ্ঠীর কাছে সরবরাহের উদ্দেশ্যে তারা যাচ্ছিলেন।

কোস্ট গার্ড জানায়, এ ধরনের চোরাচালান ও পাচার কার্যক্রমে জড়িত মূলহোতাদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারে গোয়েন্দা নজরদারি আরও জোরদার করা হয়েছে। পাশাপাশি অন্যান্য আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সঙ্গে সমন্বিত কার্যক্রমও বৃদ্ধি করা হয়েছে।

জব্দকৃত সিমেন্ট, পাচারে ব্যবহৃত বোট এবং আটককৃতদের বিরুদ্ধে পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

বাংলাদেশ কোস্ট গার্ড জানিয়েছে, উপকূলীয় এলাকায় পাচার ও চোরাচালান রোধে ভবিষ্যতেও এ ধরনের যৌথ অভিযান অব্যাহত থাকবে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এজাতীয় আরো সংবাদ
error: Content is protected !!
https://slotbet.online/
error: Content is protected !!