নিজস্ব প্রতিবেদক।।
কক্সবাজারের টেকনাফ উপজেলার সাবরাং সীমান্ত এলাকায় অভিযান চালিয়ে ৫ লাখ পিস ইয়াবাসহ মিয়ানমারের দুই নাগরিককে গ্রেফতার করেছে র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র্যাব)-১৫। গ্রেফতারকৃতরা আন্তর্জাতিক মাদক চোরাকারবারি চক্রের সক্রিয় সদস্য বলে জানিয়েছে র্যাব।
বৃহস্পতিবার (১১ জুন ২০২৬) আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে র্যাব-১৫ এ তথ্য জানায়।
র্যাব সূত্রে জানা যায়, গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের মাদকের বিরুদ্ধে ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি বাস্তবায়নের অংশ হিসেবে মাদকবিরোধী অভিযান অব্যাহত রয়েছে। এরই ধারাবাহিকতায় বুধবার দিবাগত রাত আনুমানিক ২টা ৩০ মিনিটে র্যাব-১৫ টেকনাফ ক্যাম্পের একটি আভিযানিক দল গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জানতে পারে, মিয়ানমার থেকে একটি বড় ইয়াবার চালান টেকনাফ সীমান্ত দিয়ে বাংলাদেশে প্রবেশ করবে।
প্রাপ্ত তথ্যের ভিত্তিতে বৃহস্পতিবার ভোর আনুমানিক ৪টা ৩০ মিনিটে টেকনাফ উপজেলার সাবরাং ইউনিয়নের সাবরাং খালের দক্ষিণ পাশে মন্ডলপাড়া এলাকায় বিশেষ অভিযান পরিচালনা করা হয়। এ সময় ইয়াবার চালান নিয়ে দেশে প্রবেশকালে র্যাবের উপস্থিতি টের পেয়ে কয়েকজন মাদক কারবারি পালানোর চেষ্টা করে।
অভিযানে আন্তর্জাতিক মাদক চক্রের সঙ্গে জড়িত দুই মিয়ানমার নাগরিককে আটক করতে সক্ষম হয় র্যাব। তবে আরও ৪ থেকে ৫ জন অজ্ঞাত মাদক কারবারি পালিয়ে যায়। তাদের পরিচয় শনাক্তের চেষ্টা চলছে বলে জানিয়েছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।
আটক ব্যক্তিদের জিজ্ঞাসাবাদে পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতে ঘটনাস্থল থেকে সর্বমোট ৫ লাখ পিস ইয়াবা উদ্ধার করা হয়।
গ্রেফতারকৃতরা হলেন- মিয়ানমারের আরাকান রাজ্যের মন্ডু থানার ভুসিডং জেলার বাসিন্দা মো. সাজেদ (৩২) এবং এনামুল হাসান (৩৩)।
র্যাব জানায়, মিয়ানমার থেকে অবৈধভাবে সীমান্ত অতিক্রম করে ইয়াবার বড় চালান বাংলাদেশে এনে স্থানীয় সিন্ডিকেটের মাধ্যমে দেশের বিভিন্ন এলাকায় সরবরাহ করা হতো। এসব মাদক যুবসমাজকে ধ্বংসের দিকে ঠেলে দিচ্ছে এবং বিভিন্ন অপরাধ বৃদ্ধিতে ভূমিকা রাখছে।
র্যাব-১৫ আরও জানায়, সীমান্ত এলাকায় মাদক, চোরাচালান ও অন্যান্য অপরাধ দমনে গোয়েন্দা নজরদারি এবং বিশেষ অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।
গ্রেফতারকৃতদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।
https://slotbet.online/